You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরজুর পেছনে লেগেছে একটি কুচক্রী মহল

কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরজুর পেছনে লেগেছে একটি কুচক্রী মহল

Share

আগামী আসন্ন কয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যে নির্বাচনীয় প্রচরণায় শীর্ষস্থানে রয়েছে কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ রাসেল হোসেন আরজু।

দিগন্তে উদ্ভাসিত হয়েছে জাতির জনকের প্রতিশ্রুত সােনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্নে রঙিন তবে কণ্টকাকীর্ণ
মহাপথ।মহান স্বাধীনতা
সংগ্রামের একটি মূলমন্ত্র এবারে সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম”আর সেই সংগ্রাম কে রক্ষ করতে কয়া ইউনিয়ন বাসীর আসা স্বরুপ হয়েছে আরজু।

দারিদ্র্যতা নির্মূল করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গৃহহীনতার সমস্যা সমাধান করে একটি
গণতান্ত্রিক, সুশীল ও সমৃদ্ধশালী ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে কয়া ইউনিয়ন বাসী রাসেল হোসেন আরজুকে এবারের নির্বাচনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

রাসেল হোসেন আরজু কুমারখালী উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিক দিক দিয়ে তার পরিবার আওয়ামী লীগের সাথে অন্তভূক্ত আওয়ামী লীগের সাথেই রাজনীতি করেন দীর্ঘদিন ধরে তারা কখন ও আওয়ামী লীগের বিপক্ষে যাননি এবং বিদ্রোহ প্রার্থী ও করেননি। আওয়ামী লীগ করার ক্ষেত্রে তার পরিবার অনেক বার হামলা-মামলার শিকার ও হয়েছে তবুও দমে যাননি আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে শক্ত মনোবল আর বুকভরা সাহস নিয়ে লড়ে গেছেন।

এদিকে একটি কুচক্রী মহল মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে রাসেল হোসেন আরজুর সুনাম বিনষ্ট করছে বলে জানান কয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ।

আরও বলেন বর্তমান সময়ে কুমারখালী তথা কয়া ইউনিয়নে একজন পরিচ্ছন্ন ও নিরহংকারী
রাজনৈতিক,ব্যাক্তি।সহজ সরল মননের অধিকারী।যার মধ্যে রাজনীতির সঠিক
শিষ্টাচার ও ভদ্রতা সবসময় দেখতে পাই।
সাংগাঠনিক দক্ষতায় তিনি যেমন সংগঠনের
কাছে প্রিয়,ঠিক তেমনি কর্মীদের বিপদে
আপদে সবসময় পাশে দাড়িয়ে কর্মীদের
কাছে অনেক প্রিয়,আস্থা ভরসার নাম রাসেল হোসেন আরজু এমনটি জানান কয়া ইউনিয়নের জনগণ।

রাসেল হোসেন আরজুর বাবা ইব্রাহিম আলী ছিলেন কুমারখালী উপজেলা কৃষক লীগের পর পর তিনবার নির্বাচিত সফল
সাধারণ,সম্পাদক।চারদলীয় বিএনপি
জামায়াতে ভয়াবহ দিনে,আওয়ামীলীগের
দুঃসময়ে চরম অত্যাচার ও নির্যাতনের
শিকার হতে হয়েছে তাকে।চারদলীয়
জোট সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের
অসংখ্য নেতাকর্মীদের আটক করা হয়,তার
মধ্যে ইব্রাহিম আলী ও ছিলেন।চারদলীয়
জোট সরকারের ভয়াবহ ক্লিন হার্ট
অপারেশনে আটক হোন ইব্রাহিম আলী।সেদিন একই স্থানে আটকিয়ে রাখা হয় বর্তমান আওয়ামীলীগে প্রেসিডিয়াম সদস্য
ও সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
আজও রাসেল হোসেন আরজুর বাবা রাজনীতির প্রতিহিংসায়
মিথ্যা ও বানোয়াটি মামলায় সাজাপ্রাপ্তের শিকার হয়ে রয়েছেন।

এছাড়া চলমান পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যারা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তাদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন কোন কোন পৌরসভায় কারা কারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, এদের কারা মদদ দিচ্ছেন, দলীয় প্রার্থীর বাইরে গিয়ে কারা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বা কাদের প্ররোচণায় দলের সিদ্ধান্ত কারা উপেক্ষা করছেন তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরমধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কোনো নেতা বা সংসদ সদস্য আছেন কিনা সে তথ্য তিনি নিতে বলেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের। শুধু বিদ্রোহী প্রার্থীই নয়, যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছেন বা তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তারাও আগামীতেও দলের কোনো মনোনয়ন পাবেন না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Leave a Reply

Top