You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > লক্ষ্মীপুরে ১১টি দোকান উচ্ছেদ : ব্যবসায়ীদের কান্নায় আকাশ ভারি।

লক্ষ্মীপুরে ১১টি দোকান উচ্ছেদ : ব্যবসায়ীদের কান্নায় আকাশ ভারি।

Share

 

লক্ষ্মীপুর জেলা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজান কামালের পৌর শহরের বাস ভবনের সামনের অবস্থিত প্রায় ১১টি দোকান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শনিবার(২৯ মে) সকাল ১০টা দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রায় চার ঘন্টা ধরে দোকানপাটগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসন থেকে কোনো রকম পূর্ণঃবাসন ও ক্ষতিপূরণ না দিয়ে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কান্নায় আপ্লুত হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন তারা। সেখানকার আকাশ অনেকটা কান্নায় ভারি হয়ে উঠে।

এ দিকে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।
অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের পোশাক পরিহিত কয়েকজন সদস্য, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মামনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ীরা আরো জানান তারা দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে জেলা পরিষদ থেকে ইজাড়া নিয়ে দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছেন,কিন্তু হঠাৎ করে জেলা পরিষদ রাস্তার প্রসস্থ করার জন্য ইজাড়া নবায়ন বন্ধ করে দেয়। যার প্রেক্ষিতে গত ২৭মে তাদের স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের নোটিশ পাঠানো হয়।
কেউ কেউ দাবি করছেন এমপি শাজাহান কামারের বাড়ির সামনে রাস্তা ফাঁকা করতে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
জেলা প্রশাসক মোঃ শাজাহান সাংবাদিকদের মুঠোফোনে জানান রাস্তা প্রশস্থ করণের দাবির প্রেক্ষিতে ৪শতাংশ জমি সড়ক ও জনপদ বিভাগের আবেদন গ্রহন করেন এবং বাকি জমি জেলক্ষ্মীপুরে ১১টি দোকান উচ্ছেদ : ব্যবসায়ীদের কান্নায় আকাশ ভারি।

লক্ষ্মীপুর জেলা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজান কামালের পৌর শহরের বাস ভবনের সামনের অবস্থিত প্রায় ১১টি দোকান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শনিবার(২৯ মে) সকাল ১০টা দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রায় চার ঘন্টা ধরে দোকানপাটগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসন থেকে কোনো রকম পূর্ণঃবাসন ও ক্ষতিপূরণ না দিয়ে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কান্নায় আপ্লুত হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন তারা। সেখানকার আকাশ অনেকটা কান্নায় ভারি হয়ে উঠে।

এ দিকে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।
অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের পোশাক পরিহিত কয়েকজন সদস্য, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মামনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ীরা আরো জানান তারা দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে জেলা পরিষদ থেকে ইজাড়া নিয়ে দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছেন,কিন্তু হঠাৎ করে জেলা পরিষদ রাস্তার প্রসস্থ করার জন্য ইজাড়া নবায়ন বন্ধ করে দেয়। যার প্রেক্ষিতে গত ২৭মে তাদের স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের নোটিশ পাঠানো হয়।
কেউ কেউ দাবি করছেন এমপি শাজাহান কামারের বাড়ির সামনে রাস্তা ফাঁকা করতে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
জেলা প্রশাসক মোঃ শাজাহান সাংবাদিকদের মুঠোফোনে জানান রাস্তা প্রশস্থ করণের দাবির প্রেক্ষিতে ৪শতাংশ জমি সড়ক ও জনপদ বিভাগের আবেদন গ্রহন করেন এবং বাকি জমি জেলা পরিষদের মালিকানাধীন থাকবে পরিষদের মালিকানাধীন থাকবে।

Leave a Reply

Top