You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > হেফাজতের পক্ষে হামলার নেতৃত্বে আমার কোন ছেলে ছিল না

হেফাজতের পক্ষে হামলার নেতৃত্বে আমার কোন ছেলে ছিল না

Share

এম মনসুর আলী,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।। গত ২৭ মার্চে অরুয়াইল এলাকায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের নেতৃত্বে আমার তিন ছেলের এক ছেলেও ছিল না।

একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে আমার ছোট ছেলেকে পুলিশ ক্যাম্পে হামলা মামলায় আসামি করেছে। আমার ছোট ছেলে ইসমাইল যুবলীগের সভাপতির প্রার্থী ছিল।

ঐদিন মিছিলে অংশগ্রহণকারী হেফাজত কর্মী সমর্থকেরা আমার অফিস, দোকানপাট ভাংচুর করছে শুনে আমি আমার ছেলেদেরকে বাজারে পাঠিয়েছি। মিছিলকারীরা যাতে আমাদের মার্কেটে ভাংচুর চালাতে না পারে সেজন্য আমার ছেলেরা মিছিলকারীদের কৌশলে ভিন্নপথে ধাবিত করেছে। যাতে মার্কেটে আক্রমণ না করে সেজন্য হাত নেড়ে মিছিলটিকে সামনে যেতে আহবান করেছে। ঐদিন আমার ছেলেরা মার্কেটের পাশে না থাকলে আওয়ামিলীগের নেতা হিসেবে আমার মার্কেট আগুন দিয়ে পুড়িতে দিতো যেমন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নেতাদের বাড়ি।

আমার মার্কেটে আগুন দিতে না পেরে পরবর্তীতে রাতের বেলা আমার বাড়িতে আগুন দিয়েছিল দুষ্কৃতকারীরা। এখন আবার সেই কুচক্রী মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার তিন ছেলেকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

অরুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি হাজী আবু তালেব এসব কথা বলেছেন। আজ শনিবার (১মে) বিকাল ৩ টায় অরুয়াইল বাজারে তাঁর অফিস কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন করে এসব দাবি তুলে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান তিনি।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তালেব আরও বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে একটি কুচক্রী মহল আমার পেছনে লেগেছে। তারা নানাভাবে আমাকে হয়রানিতে ফেলতে চায়। আমার ইজ্জত নষ্ট করতে এখন আমার ছেলেদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা। আমার সামাজিক ও দলীয় জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ওই চক্রটি আমি ও আমার ছেলেদের বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি সাংবাদিক সমাজসহ সকলের কাছে এর প্রতিকার চাই।

সাংবাদিক সম্মেলনে অরুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গাজী মো. শফিক বলেন, অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়িতে যে হামলা হইছে ঐ ভিডিওটা আমিসহ অরুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা দেখছি ঐ মিছিলে তাঁর (হাজী আবু তালেব) কোন ছেলে নাই। এরপরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মামলাটি তদন্ত করতেছে তাঁরা যদি তাদের সম্পৃক্ততা পায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক আমাদের কোন আপত্তি নাই।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্ছু মিয়া বলেন, হেফাজতের কর্মী সমর্থকেরা তাদের মার্কেটে হামলা করবে শুনে সভাপতির ছেলেরা বাড়ি থেকে দৌড়ে মিছিলের কাছে আসে। তাঁর ছেলে পুলিশ ফাঁড়িতে আক্রমণ করে নাই।এমন প্রমাণও নাই। ভিডিও ফুটেজও নাই। মার্কেট রক্ষার স্বার্থেই তারা মিছিলকারীদের আশেপাশে ছিল। এসবের ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে।

অরুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ আল হাসান বলেন. অরুয়াই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতির তিন ছেলে হামলাতে জড়িত এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। দোকান বাঁচানোর জন্য ওরা মার্কেটের সামনে ছিল। এটা ভিডিও ফুটেজে আসছে। ওনার ছেলেরা অরুয়াইল ক্যাম্পের আশেপাশেও যায় নি। মিডিয়াতে যে লেখালেখি হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

পরিশেষে হাজী আবু তালেব সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সাংবাদিক ভাইদের নিকট আমার অনুরোধ আপনারা সত্য উদ্ঘাটন করে দেখেন।একটি কুচক্রী মহল আমার ও আমার পরিবারের পিছু লেগেছে। এই ঘটনায় আমার ছেলেরা জড়িত নয়। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। এ সময় অরুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Top