You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > দায়িত্ব পালন কালে গণ মাধ্যমকর্মীরা কুষ্টিয়া পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার

দায়িত্ব পালন কালে গণ মাধ্যমকর্মীরা কুষ্টিয়া পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার

Share

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত সাতদিনের কঠোর লকডাউন চলছে সারাদেশে। কুষ্টিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা লকডাউনের সংবাদ সংগ্রহ করছেন এবং টেলিভিশন ও স্থানীয় পত্রিকায় নিউজ গুলো প্রকাশিত হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে লকডাউনের বিভিন্ন স্থানে চিত্র ধারণ করে গণমাধ্যমকর্মীরা অফিসের দিকে যাচ্ছিল। কুষ্টিয়া শহরের থানার মোড়ে গণমাধ্যমকর্মীদের গাড়ি পৌঁছালে রোধ করে পুলিশ সদস্যরা। তাদের কাছে সংবাদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, আইডি কার্ড থাকলেও পুলিশ তাদের মোটরসাইকেলটি রোধ করে চাবি কেড়ে নেন। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের পরিচয় প্রদান করেন এবং তাদের কাছে থাকা ক্যামেরা এবং আইডি কার্ড দেখালেও তাদেরকে ছাড়া হয়নি।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা শওকত কবির, ওসি অপারেশন মামুন-অর-রশিদ, ওসি তদন্ত নিশিকান্ত শহর সঙ্গীয় ফোর্স। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের কুষ্টিয়া ক্যামেরা পারসন রুবেল হোসেন জানান, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানের চিত্র ধারণ করে অফিসে ফিরছিলাম। থানামোড়স্থ অফিসে পৌঁছানোর কিছু আগেই মডেল থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য তার গাড়ির গতিরোধ করে। এসময় রুবেল তাদেরকে তার পরিচয় পত্র ও তার কাছে থাকা ক্যামেরা দেখানোর পরেও পুলিশ সদস্যরা তার কাছ থেকে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেন এবং তাকে পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেন। এসময় সেখানে আটকে পড়া দীপ্ত টিভির ক্যামেরাপার্সন বিদ্যুৎ হোসেন অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন বলে তাকে জানান।

কিছুক্ষণ পরে আরেকটি বেসরকারি টেলিভিশন ৭১ টিভির ক্যামেরাপারসন কোহিনুর ইসলাম থানা ট্রাফিক মোড়ে অফিসে যাওয়ার পথে তাকেও পড়তে হয় পুলিশের বাধার মুখে। নিজের পরিচয় দেয়ার পরও ছাড় পাননি ৭১ টিভির ক্যামেরাপার্সন কোহিনুর ইসলাম। তাকেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট বলে জানান তিনি। এছাড়া বেশকিছু মিডিয়ার সাংবাদিকদের পুলিশি বাধায় পড়ে হেনস্থার শিকার হতে হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গণমাধ্যমকর্মী সহ বিভিন্ন গাড়ি থামানো হয়েছিল, তবে পরিচয় প্রদানের পর পরই গণমাধ্যমকর্মীদের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Top