You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুতের ছেঁউড়িয়ার কেন্দ্রের ইনচার্জের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুতের ছেঁউড়িয়ার কেন্দ্রের ইনচার্জের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Share

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় বারখাদা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের আওতাধীন ছেঁউড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সামজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎলাইন নির্মাণ ও সংস্কারে ঘুষ দাবি, ঘুষ আদায়ে হুমকি-ধামকি, অশালীন আচরণসহ গ্রাহক হয়রানির নানা অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তাকে অভিযোগ দিয়ে প্রতিকার না পাওয়ায় ভুক্তভোগীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কুষ্টিয়া বারখাদা জেনারেল ম্যানেজারের নিকট অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়া মোল্লা পাড়া গ্রামের একটি দোকান ঘরের জমি নিয়ে মামলা চলছে উক্ত দোকান সুমাইয়া ট্রেডার্স স্বত্বাধিকারী মুসা ভাড়া নেই। সেখানে তিনি পল্লী বিদ্যুতের লাইন নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। উক্ত জমির মালিক বাদশা মোল্লা কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে লিখিত আবেদন করেন তার জমির উপর বিদ্যুৎ সংযোগ না করার জন্য যেহেতু সেখানে মামলা চলছে। পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রের ছেঁউড়িয়ার ইনচার্জ তার গায়ের জোরে রাতের আঁধারে মামলা করা জমির দোকান ঘরের বিদ্যুৎসংযোগ দিয়ে যায়।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী বাদশা মোল্লা বলেন, প্রথম দিনে ছেঁউড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সামজুর রহমান বিদ্যুৎসংযোগ দিতে আসলে আমারা বাধা দিলে তারা সংযোগ না দিয়ে চলে যায়। তার কিছুদিন পর পুনরায় সুমাইয়া ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকার মুসার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা খেয়ে রাতের আধারে বিদ্যুৎসংযোগ করে দেয়। আবারো কুষ্টিয়ায় বারখাদা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের জিএমকে জানানো হলে তারা উক্ত বিদ্যুৎসংযোগটি কেটে দিয়ে যায়। বিদ্যুৎসংযোগ বন্ধ থাকা অবস্থায় আবারো কিছুদিন পর তারা। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে রাতের আধারে পুনরায় বিদ্যুৎসংযোগ করে দিয়ে যায়।

পল্লী বিদ্যুতের ছেঁউড়িয়ার কেন্দ্রের ইনচার্জের বিরুদ্ধে ছেঁউড়িয়া মোল্লা পাড়া এলাকার পুরাতন গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে। তার অনিয়ম-দুর্নীতিতে সরকারের শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

কোর্টে মামলা চলা অবস্থায় কিভাবে উক্ত জমির দোকানের বিদ্যুৎসংযোগ হলো। এবিষয়ে ছেঁউড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সামজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কুষ্টিয়া বারখাদা পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্যারের অর্ডারে কেটে দেয়ার সংযোগটি আবারও বিদ্যুৎসংযোগ দেয়া হয়েছে।

উক্ত এলাকার সাধারন জনগনের মনে এখন একটি প্রশ্ন কোর্টে মামলা চলা অবস্থায় পল্লী বিদ্যুৎ কিভাবে বিদ্যুৎসংযোগ দেয় এই নিয়ে সাধারন জনগনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
তারা উক্ত অবৈধ সংযোগ কেটে দেয়ার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কুষ্টিয়া বারখাদা জেনারেল ম্যানেজারের নিকট।

Leave a Reply

Top