You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > কুষ্টিয়ার লাহিনী কালীতলা তে পুরনো সেই চায়ের দোকান এখন বিভিন্ন আলোকসজ্জায় সাজানো।

কুষ্টিয়ার লাহিনী কালীতলা তে পুরনো সেই চায়ের দোকান এখন বিভিন্ন আলোকসজ্জায় সাজানো।

Share

বছরের ১২ মাস জুড়ে রাস্তার টং দোকানগুলোতে চা খেতে দেখা যায় প্রায় সকল বয়সী চা প্রেমীদের। কাজের ফাঁকে কিংবা ক্লাসের বিরতিতে রাস্তার টং দোকানগুলোতে চা খেতে ভিড় জমে। চায়ের দোকানে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা চা কারিগরদেরও দেখা মিলছে সমপরিমাণে। বিকেলের দিকে ভিড় একটু বেশি থাকে বলে জানান জিয়া।কাষ্টমার আসলে বেচা বিক্রি ভালোই হয়। তবে ঝড়-বৃষ্টি হলে খুব অল্প পরিসরে মানুষ ভিড় জমায়।শত কাপ চা বানিয়েও ক্লান্ত নয় তিনি। চা বানিয়ে জীবন কেটে যাওয়া এই চা বিক্রেতার জীবনের গল্প কিছুটা অন্যরকম। সংগ্রামী জীবনের গল্প বলেন জিয়া নামের এক চা বিক্রেতা। ‘চা বানাইতে অনেক কষ্ট হয় সারাদিন। চুলার গরমে পুরে যাই। কিন্তু কিছু করার নাই। সংসারে তিনি একাই রোজগার করেন আবেগজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন জিয়া।

পরিবারে তিন সদস্য চা বিক্রি করে এক মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছেন জিয়া।সকাল ৭টায় দোকান খুলে বসেন এবং রাতে যতক্ষণ কাস্টমার থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত দোকান খোলা রাখেন।
পরিবারকে সহায়তার জন্য ও জীবিকা নির্বাহ করতে নিয়মিত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সাহসের সাথে একাই কাজ করে যাচ্ছেন জিয়া নামের এই চা বিক্রেতা।

কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১ নং ওয়ার্ডের লাহিনী কর্মকার পাড়াতে বসবাস করেন জিয়া নামের এই চা বিক্রেতা। দীর্ঘ সময় ধরে ২৩ বছর যাবত এই চায়ের ব্যবসা করছেন জিয়া। দেখতে দেখতে কিভাবে যে এত বছর কেটে গেল তা ভাবতেও পারেননি বলে জানায় জিয়া।

Leave a Reply

Top