You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > কুষ্টিয়ায় জাতীয় বীমা দিবস ২০২১ উদযাপন

কুষ্টিয়ায় জাতীয় বীমা দিবস ২০২১ উদযাপন

Share

মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, বীমা হোক সবার’ এ স্লোগানকে সামনে নিয়ে কুষ্টিয়ায় জাতীয় বীমা দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। আজ সোমবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন বীমা কোম্পানি উপস্থিত থেকে দিবসটি পালন উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদূর ইসলাম বীমা দিবস টি শুভ উদ্বোধন করেন।

জাতীয় বীমা দিবস উদযাপন উপলক্ষে তার বক্তব্যে বীমা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন

বীমা খাতকে আরো স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। সাধারণ জনগণ যেন ভোগান্তির মধ্যে না পড়ে। এবং তিনি বীমা সেবার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। প্রোগ্রামে উপস্থিত সকলকে তিনি শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং সুশৃংখল প্রোগ্রামের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
পরে বিভিন্ন কোম্পানির উদ্যোগে দিবসটি পালনের লক্ষ্যে লাভলী টাওয়ারের সামনে শুভযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
তাকাফুল ইসলামী ইন্সুইরেন্স লিমিটেড কুষ্টিয়া শাখার ইনচার্জ এ,এম,ডি মোঃহারুনুর রশিদসহ সকল স্টাফ অংশগ্রহণ করে।

জাতীয় বীমা দিবস আজ। প্রতিবছর ১ মার্চ সারা
দেশে দিবসটি পালিত হয়। এ উপলক্ষ্যে এবারও
বিভিন্ন আয়োজন হাতে নিয়েছে সরকার এবং এ
খাতের উদ্যোক্তারা। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু
আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বীমা দিবসের
আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি এ প্রোগ্রামে
অংশ নিয়ে অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুর্নীতির অভিযোগের কারণে এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. মোশাররফ হোসেনকে মূল অনুষ্ঠানের মঞ্চে বসতে এবং বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

১৯৬০ সালের ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্সে যোগদান করেছিলেন। ফলে দিনটিকে প্রতিবছর বীমা দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় এ খাতের উদ্যোক্তারা। সরকারও এর অনুমোদন দিয়েছে। এ উপলক্ষ্যে প্রতিবছর মেলার আয়োজন করা হলেও করোনার কারণে এবার অনুষ্ঠান সীমিত করা হয়েছে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে বীমা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, বীমা হোক সবার।’ বীমা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বীমার গুরুত্ব ও সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বীমা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতার দেখানো পথই আমরা অনুসরণ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আমরা এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। পুরাতন বীমা আইন-১৯৩৮কে রহিত করে সময়োপযোগী ‘বীমা আইন-২০১০’ এবং ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০’ প্রণয়ন করে বীমা অধিদপ্তরকে বিলুপ্ত করে ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ গঠন করা হয়েছে। বিদেশগামী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রবাসী কর্মী বীমা, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি মোকাবিলায় হাওড় এলাকায় সীমিত পরিসরে আবহাওয়া সূচকভিত্তিক শস্য বীমা চালু করা হয়েছে।

Leave a Reply

Top