You are here
Home > বাংলাদেশ > জেলার সংবাদ > লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূর শরীরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামী গ্রেপ্তার।

লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূর শরীরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামী গ্রেপ্তার।

Share

লক্ষ্মীপুরে কেরোসিন দিয়ে গৃহবধূর শরীরে আগুন লাগানোর ঘটনায় সম্পৃক্ত প্রধান আসামী মাইনুদ্দিন (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী দুপুর প্রায় ২টায় সময় ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন চরমনসা গ্রামের ৬নং ওয়ার্ড সফি উল্যার পুকুর ঘাটে রাশেদা বেগম (৩৫)’কে পূর্ব পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আসামী ১ মাইনুদ্দিন (৩৫), পিতা-আবুল কালাম @ আবু বেপারী, সাং-চরউভূতি (চক বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে), ৪নং ওয়ার্ড, ২। শাহজাহান (৪৫), পিতা-রাজা মিয়া, সাং-চরউভূতি (রাজা বাড়ী), বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে, ৪নং ওয়ার্ড, ৩। লিটন (২৫), পিতা-আবদুল মালেক, সাং-চরউভূতি (আবদুল গো বাড়ী), ৪নং ওয়ার্ড, ৪। আশরাফ (৩৫), পিতা-সামছুদ্দিন, সাং-চরউভূতি (রবি উল্যা হাজী বাড়ী), ৪নং ওয়ার্ড, সর্ব ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউপি, থানা ও জেলা-লক্ষ্মীপুরসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন কেরোসিন দিয়ে রাশেদা বেগম শরীরের আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে শরীরের ৭৫% দ্বগ্ধ হয়। উক্ত ঘটনায় লক্ষ্মীপুর সদর থানার মামলা নং ২৩, তারিখ-১৬/০২/২০২১ খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/২০২০ এর) ৯(২)(খ)/৩০ রুজু হয়। মামলা রুজুর পরবর্তীতে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার জনাব ড. এএইচএম কামরুজ্জামান, পিপিএম-সেবার নির্দেশনায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে লক্ষীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব জসীম উদ্দীনের নের্তৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই/মোঃ নজরুল ইসলাম শ্বাসরুদ্ধ কর অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহারনামীয় আসামী মাইনুদ্দিন (৩৫)’কে অত্র থানাধীন ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউপিস্থ এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে (১৭ ফেব্রুয়ারী) বুধবার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এজাহারনামীয় অপর আসামী ও অজ্ঞাতনামা আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেন জানা জেলা পুলিশ সুপার।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেবরের শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে রাশেদার শ্বশুর বাড়ির বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত মঙ্গলবার বিকেলে দেবরের শ্বশুর বাড়ির লোকজন রাশেদার শরীরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় দ্রুত অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠে। আগুনে শরীর ঝলসে যাওয়ায় রাশেদার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। রাশেদা তখন অভিযুক্তদের নাম-পরিচয় বলেন।
তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তাকে সেখানে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Top