You are here
Home > বাংলাদেশ > ছেলে ওয়াজ থেকে ঘরে ফিরে পেলো মায়ের রক্তাক্ত দেহ!

ছেলে ওয়াজ থেকে ঘরে ফিরে পেলো মায়ের রক্তাক্ত দেহ!

Share
গাজীপুরের কালীগঞ্জে নাজমা বেগম (৪৪) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোরে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার চৈতারপাড়া গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সকালে নিহতের মরহেদ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষে হত্যার অভিযোগ উঠায় ময়নাতদন্তের জন্য মরহেদ গাজীপুরে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য নিহতের এক ছেলেসহ ৪ জনকে থানায় আনা হয়েছে। তবে কে বা কারা, কেন ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নিহত নাজমা কালীগঞ্জ পৌর এলাকার চৈতারপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুল মমিন ওরফে মোমেন মির্জার স্ত্রী। তিনি গৃহিনী ছিলেন। স্বামী ছাড়াও তার আরও ২ ছেলে সৌদি প্রবাসাী এবং ১ ছেলে সদ্য এইচএসসি পাস করলো।
নিহতের ছেলে স্বপন মির্জা (২০) জানান, ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় এলাকায় ওয়াজ চলছিল। তাই মাকে বলে ওয়াজ শুনতে চলে যানস্বপন। যাওয়ার সময় মা তাকে বলেন, রাত ৮টার মধ্যে চলে আসতে। ছেলে আসলে মা যাবে ওয়াজ শুনতে। কিন্তু স্বপন আসতে আসতে প্রায় পৌণে ৯টা বেজে যায়। কিন্তু তিনি এসে দেখেন মায়ের রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে আছে। এ সময় মাথায় গুরুতর জখম ছিল। পরে তার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে আহত নাজমার দেহ উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরণের পরামর্শ দেন। পরে ঢাকার নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তবে মায়ের এই মৃত্যুকে স্বভাবিক বা দূর্ঘনাজনিত কোন মৃত্যু বলে মানছেন না। তার অভিযোগ তার মাকে কেউ হত্যা করেছে।
ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম জানান,  নিহতের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
Top