You are here
Home > বাংলাদেশ > যে গাছ কাটলে স্বপরিবারে মারা যাবে কাঠুরিয়া

যে গাছ কাটলে স্বপরিবারে মারা যাবে কাঠুরিয়া

Share

দৈত্যাকৃতির এই শিমুল গাছটির বয়স অনুমান ৪০০/৩৫০ বছর বলে জানিয়েছেন গ্রামের মুরুব্বিরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের ধামাউড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়ির উত্তর পাশের গোরস্থানে শিমুল গাছটি ইতিহাসের স্বাক্ষী আজও বেঁচে আছে। আনুমানিক ২০০/১৮০ ফুট লম্বা শিমুল গাছটির গোড়ার পরিধি ১০০/৯০ ফুট। গাছটির কাছে গেলেই মনে হবে এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিসৌধ।

গাছটির গোড়ার পাশে দাঁড়ালে মনে হবে যেন হিমালয়ের পাদদেশে দাঁড়িয়ে আছি।

গাছটিকে নিয়ে মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার না হওয়ায় প্রকৃতিপ্রেমি মানুষ ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দেখা যাচ্ছে না।

গাছটি সম্পর্কে বৃদ্ধা আনাম মিয়া বলেন,আমরা ছোট বেলা গাছটি যেমন দেখেছি- ঠিক তেমন অবস্থায় গাছটি এখনো আছে। আমার দাদাও গাছটিকে ছোট বেলায় এতো বড়ই দেখেছে।

এ গাছের পাশে বসবাসকারী মিজানুর রহমান (৩৮) জানান, ঝড় তুফানে শিমুল গাছটির উপরের অনেক ডাল ভেঙ্গে গেছে। তিনি জানান, এ গাছে সারা বছরই মৌমাছির চাক থাকে আর সরিষা ফুলের মৌসুমে ৫০/৬০ মৌমাছির চাক থাকে। গাছটিতে অসংখ্য প্রজাতির পাখপাখালি বাস করে।

এখানে কথিত নাগনাগিনীর বসবাস বলেও তারা জানান। গাছের প্রকৃত মালিকদের একজন রহমত আলী(৬৫) গাছটিকে কাটার জন্য ময়মনসিংহ থেকে এক কাঠুরিয়াকে এনেছিলেন। গাছ কাটার আগের রাতে কাঠুরিয়া স্বপ্ন দেখেন যে গাছটি কাটলে স্বপরিবারে তিনি মারা যাবেন। পরে তিনি গাছ না কেটে ময়মনসিংহ চলে যান। স্বপরিবারে মারা যাবার ভয়ে কেউ গাছটি কাটতে সাহস পায়না।

গাছটা এখন বিক্রি করবেন কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে গাছের মালিকরা জানান, যতদিন গাছটা নিজের থেকে না মরে – ততদিন পর্যন্ত তারা গাছটা বিক্রি কিংবা গাছের ডালপালা কাটবে না।

Top