গাইবান্ধায় অভিভাবকদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেরাও, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ।

আব্দুর রহিম বাদশা, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  01:04 PM, 15 November 2020

Share

করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও গাইবান্ধার আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে নানা কৌশলে মাসিক বেতনসহ অন্যান্য ফি আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বুধবার (১১ নভেম্বর) ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে এবং সড়কে মানববন্ধনের কর্মসূচী পালনসহ প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দীপক কুমার পাল, মিহির ঘোষ, অ্যাড. রাবেয়া শিকদার মুক্তা, মাসুদুল ইসলাম সাগর, নুর মোহাম্মদ বাবু, অ্যাড. রেজাউল করিম, মো. আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে সরকার ঘোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি আদায়ে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন কৌশলে আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ইচ্ছেমতো মার্চ মাস থেকে বকেয়া বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় করছে।

বক্তারা, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক অবিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতে বকেয়া বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় করার দাবি জানিয়ে বলেন, ইতোপূর্বে যেসব অভিভাবকদের কাছ থেকে নির্ধারিত বেতন আদায় করেছে তা সমন্বয় করতে হবে। অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না। স্কুল কর্তৃপক্ষকে অতিসত্বর এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়ার জন্য আহ্বান জানান তারা।

এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আহসান হাবীব বলেন, সরকার আমাদেরকে বেতন নিতেও বলেনি। আবার নিষেধও করেনি। যদি কোন সরকারি নির্দেশনা আসে তাহলে আমরা অভিভাবকদের দাবি মোতাবেক বেতনের কিছু অংশ কমানোর জন্য গভর্ণিংবডির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও গাইবান্ধার আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে নানা কৌশলে মাসিক বেতনসহ অন্যান্য ফি আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বুধবার (১১ নভেম্বর) ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে এবং সড়কে মানববন্ধনের কর্মসূচী পালনসহ প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দীপক কুমার পাল, মিহির ঘোষ, অ্যাড. রাবেয়া শিকদার মুক্তা, মাসুদুল ইসলাম সাগর, নুর মোহাম্মদ বাবু, অ্যাড. রেজাউল করিম, মো. আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে সরকার ঘোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি আদায়ে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন কৌশলে আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ইচ্ছেমতো মার্চ মাস থেকে বকেয়া বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় করছে।
বক্তারা, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক অবিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতে বকেয়া বেতন ও অন্যান্য ফি আদায় করার দাবি জানিয়ে বলেন, ইতোপূর্বে যেসব অভিভাবকদের কাছ থেকে নির্ধারিত বেতন আদায় করেছে তা সমন্বয় করতে হবে। অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না। স্কুল কর্তৃপক্ষকে অতিসত্বর এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়ার জন্য আহ্বান জানান তারা।
এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আহসান হাবীব বলেন, সরকার আমাদেরকে বেতন নিতেও বলেনি। আবার নিষেধও করেনি। যদি কোন সরকারি নির্দেশনা আসে তাহলে আমরা অভিভাবকদের দাবি মোতাবেক বেতনের কিছু অংশ কমানোর জন্য গভর্ণিংবডির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :