বিপদগ্রস্ত গৃহবধূ হলেন ধর্ষণের শিকার।

বিশেষ প্রতিনিধি।
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  11:41 PM, 21 October 2020

Share

সুনামগঞ্জের ধরমপাশায় এক গৃহবধূ ও তার কিশোরী বোনকে নিয়ে নিজ বসতবাড়িতে ফিরছিলেন। তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী গ্রামে পৌঁছাতেই রাত হয়ে যায়। বাড়িতে ফেরার জন্য পাচ্ছিলেন না কোন যানবাহন। পথিমধ্যে রাতটি কাটানোর জন্য তাদের দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়ার জন্য যান। বিপদগ্রস্ত গৃহবধূ ও তার বোনকে আশ্রয় দেন দুঃসম্পর্কের আত্মীয় ওয়াহিদ মিয়া। থাকার জন্যেও করেন অনুরোধ।

ওয়াহিদ মিয়ার বাড়িতে এ সময় সে ছাড়া আর কেউ ছিল না। রাত আটটার দিকে তাঁরা খাবার খান। এরপর ওয়াহিদ মিয়া ওই গৃহবধূকে বাড়ির অন্য একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় সহায়তা করেন একই গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম। পরবর্তীতে গৃহবধূর চিৎকারে এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে রাতেই ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়। গ্রামের লোকজন রাতেই দুই বোনকে তাঁদের নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেন।

পরে বিষয়টি গৃহবধূর স্বজনরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে জানালে চেয়ারম্যান বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরবর্তীতে পুলিশ উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের ইছামারী গ্রামের বাসিন্দা ওয়াহিদ মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের আমিরুল ইসলাম (২৮) কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই দুই ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

ধরমপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি দুজনকে আজ বুধবার আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :