কুমিল্লায় আটকে রেখে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৪।

বিশেষ প্রতিনিধি।
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:25 AM, 19 October 2020

Share

রহিমা আক্তার(ছদ্মনাম) নামের এক কিশোরিকে অপহরণ ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৫ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ অভিযুক্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার শোভারামপুর গ্রামে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে রহিমা আক্তার(ছদ্মনাম) কে পাশ্ববর্তী দয়ারামপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে সামিউল বাছির (১৮) এবং তার বন্ধু হৃদয়সহ সিএনজি অটোরিক্সাযোগে অপহরন করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রহিমা আক্তার(ছদ্মনাম) কে কুমিল্লা সদর উপজেলার উত্তর দূর্গাপুর ইউনিয়নের আড়াইওরা গ্রামের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাছির রহিমা আক্তার (ছদ্মনাম) কে নিজ গ্রাম দয়ারামপুরে নিয়ে যায়। কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা মেয়ের সন্ধান পেলে বাবা, মা সহ পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে যায়। মেয়ের পরিবারের সদস্যরা বাছিরের পরিবারের কাছে মেয়ের সন্ধান জানতে চাইলে বছিরের মা এবং অন্যান্য সদস্যরা তাদের লাঞ্ছিত করে এবং ধর্ষণের শিকার ঐ কিশোরীকে মারধোরসহ মাথার সামনের অংশের চুল কেটে দিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়।

রাতেই এ ঘটনায় রহিমা আক্তার (ছদ্মনাম) বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় বাছির, তার বন্ধু আশ্রয়দাতা বরুড়া উপজেলার মুখশিপুর গ্রামের ছিদ্দিক মিয়ার পুত্র বর্তমান আড়াইওরায় ভাড়া থাকা হৃদয় (২৪), দয়ারামপুর গ্রামের মোঃ রানা (২৮) ও বাছিরের মা লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামী ৪ জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার তাদের আদালতে পাঠালে বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে আসামীদের জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়।

আপনার মতামত লিখুন :