You are here
Home > বাংলাদেশ > জবির হল উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে চায় শিক্ষার্থীরা।

জবির হল উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে চায় শিক্ষার্থীরা।

Share

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম ছাত্রী হল ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ এর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। এ মাসের ২০ অক্টোবর ১৫ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে হলটি উদ্বোধন করা হবে বলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে অনাবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তকমা ঘুচছে দেশের অন্যতম সেরা ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ওইদিন বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে সকাল সাড়ে দশটায় যথাযথ স্বাস্থবিধি মেনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং বেলুন উড়িয়ে ছাত্রী হলটির উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

তবে উদ্বোধকের জায়গায় জবি ভাইস চ্যান্সেলরের নাম থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতার নামানুসারে হলটির নামকরন করা হলেও প্রধানমন্ত্রীকে কেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে রাখা হয়নি এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই লিখেছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছার নামে। করোনাকালীন অনাড়ম্বরভাবে হলেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা উদ্বোধন হলে জবি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি পাওয়া হত।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিকভাবে চাইলেই এটি সম্ভব।

জবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হল এবং তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাতার নামে তাই প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমেই তা উদ্বোধন করা উচিৎ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর অবদান সর্বাধিক। এছাড়া এখন পর্যন্ত জবির কোন ফলকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম নেই। তাই তার মাধ্যমে হলের উদ্বোধন করে তাকে কৃতজ্ঞতা জানানো উচিৎ।’

কয়েকজন শিক্ষার্থী লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হলে অবশ্যই তিনি হলটি নিজে উদ্বোধন করবেন। কোন কারণে অপারগ হলে কমপক্ষে শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধন করা হোক।

এদিকে হলের প্রভোস্ট ড. আনোয়ারা বেগম একই প্রশ্ন রেখে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে কেন হলের উদ্বোধক হিসেবে রাখেনি ভিসি? যেখানে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের প্রকল্প ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ চাইলে কি তিনি হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতেন না? অবশ্যই থাকতেন।”

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে হলের উদ্বোধক হিসেবে রাখা যেত কিনা -এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, “হল উদ্বোধন কে করবে না করবে সেটা তো বিজ্ঞপ্তিতেই বলে দেওয়া হয়েছে। সেটাই ফাইনাল। এ নিয়ে কে কি লিখছে (বলছে) তাতে আমার কিছু যায় আসেনা, সেটা তাদের বিষয়।”

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর হলটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এম.পি.। এর পরের বছর ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর ৯ম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে এটির নির্মাণকাজের শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের তৎকালীন চেয়্যারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ড. এ. কে. আজাদ চৌধুরী।

Top