বাগেরহাটে নদী-খাল খননে প্রাণ ফিরেছে প্রকৃতিতে, সুফল পাচ্ছেন এলাকাবাসী।

তামান্না আলম তন্বী, বাগেরহাট প্রতিনিধি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:39 PM, 01 September 2020

Spread the love

বিভিন্ন নদী ও খাল খননের ফলে প্রকৃতি তার আপন রূপ ফিরে পেয়েছে। জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি পেয়েছেন জেলার পাঁচ উপজেলার কয়েক লক্ষ মানুষ। বেড়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সবজি সহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন। নৌ পথে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ফলে খরচ ও হয়রানি কমেছে কৃষকের। খাল খননের ফলে খুশি এলাকাবাসী ও জন প্রতিনিধিরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদুজ্জামান খান জানান, বর্ষার মৌসুম শেষ হলে অন্যান্য খাল ও নদী খনন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হবে।

জানা গেছে, ৮০‘র দশকে বাগেরহাটের বিভিন্ন নদী ও খাল খনন করা হয়েছিল। এরপর থেকে নানা অবৈধ স্থাপনা তৈরি, দখলবাণিজ্য, অপরিকল্পিত মাছ চাষের কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে ভরাট হয়ে যায় খালগুলো। যার ফলে ওইসব এলাকায় জলাবদ্ধতা, পানি নিষ্কাশন না হওয়াসহ জীবন যাপনে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতো। এ বছর বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৬/১ পোল্ডারে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের অধীনে জেলার ফকিরহাট, কচুয়া, মোল্লাহাট, বাগেরহাট সদর ও চিতলমারী উপজেলায় বর্তমানে ৩৩টি খাল ও দুটি নদীর প্রায় একশ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। এই খননের ফলে এবার বৃষ্টি মৌসুমে হয়নি কোন জলাবদ্ধতা। স্বস্তি ফিরেছে চিংড়ি, সবজি ও ধান চাষিদের মনে। কমেছে পরিবহন খরচ। মাঠ ও ক্ষেত থেকে নৌকা যোগে মাছ, সবজিসহ পণ্য সরবরাহ করতে পেরে খুশি চাষি ও এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন :